জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্ককে ‘মার্কিন সরকার এবং সাম্রাজ্যবাদী ইউরোপের এজেন্ট’ বলে আখ্যা দিয়েছেন ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো। টেলিসুর টেলিভিশনে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি তুর্কের কার্যক্রমকে অদক্ষ ও পক্ষপাতদুষ্ট বলে সমালোচনা করেন।
মাদুরোর অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্র থেকে নির্বাসিত হয়ে এল সালভাদরের কঠোর নিরাপত্তা কারাগারে আটক থাকা ২৫২ জন ভেনেজুয়েলার নাগরিকের বিষয়ে জাতিসংঘ কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি। তিনি বলেন, “ভলকার তুর্ক প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে তিনি এই বিষয়ে ওয়াশিংটনের সঙ্গে সংলাপ করবেন, কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো অগ্রগতি হয়নি। কেন তিনি কিছু করছেন না? কারণ তিনি মার্কিন সরকার এবং সাম্রাজ্যবাদী ইউরোপের একজন এজেন্ট।”
২০২৫ সালের জানুয়ারিতে দায়িত্ব গ্রহণের পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দেন যে, অভিবাসন নীতিকে আরও কঠোর করা হবে। এই ঘোষণার অংশ হিসেবে:
চলতি বছরের ৩০ মে, যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট ভেনেজুয়েলা, হাইতি, কিউবা এবং নিকারাগুয়া থেকে আগত ৫ লাখ অভিবাসীর মানবিক আইনি মর্যাদা বাতিল করে দেয়। মানবাধিকার সংগঠনগুলো এ রায়কে আন্তর্জাতিক মানবাধিকারের পরিপন্থী বলে নিন্দা জানিয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ভেনেজুয়েলার এই প্রতিক্রিয়া শুধুই মানবিক উদ্বেগ নয়—বরং এটি আন্তর্জাতিক মহলে পশ্চিমা নিয়ন্ত্রিত মানবাধিকার ব্যবস্থার উপর রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ। জাতিসংঘ ও যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন নীতি নিয়ে তৈরি হওয়া নতুন টানাপোড়েনে লাতিন আমেরিকার ভূরাজনীতিতে নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি হতে পারে।